এজন্য ব্যবসার শুরু থেকে পণ্য আমদানি বা রফতানি পর্যন্ত সময়কে ৩৫৫ দিন থেকে ১৪ দিনে নামিয়ে আনার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় বিরতিহীন জ্বালানি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।’ রাজধানীর পল্টনে গতকাল ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: এসএমই খাতের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সহযোগিতায় এসএমই ফাউন্ডেশন এ সভার আয়োজন করে।
ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান মাত্র ৩৪ শতাংশ। ভারতে এটি ৪৫ এবং জাপানে ৬০-৭০ শতাংশ। আমরা দায়িত্ব নিয়ে বাজেটে এসএমই খাতকে গুরুত্ব দিয়েছি। আগের তুলনায় বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে এসএমই খাতকে আরো চাঙ্গা করতে হবে। অতীতে শুধু বাজেটের আকার বাড়ানো হলেও তা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। এ কারণে এসএমই খাতকে কেন্দ্র করে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।’
মূল প্রবন্ধে এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এসএমই খাতের উন্নয়নে এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত ১১৩টি প্রস্তাবের মধ্যে ৩৬টি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে আয়কর-সংক্রান্ত ১২টি, ভ্যাট-সংক্রান্ত পাঁচটি এবং শুল্ক-সংক্রান্ত ১৯টি প্রস্তাব বাজেটে গৃহীত হয়েছে। প্রথমবারের মতো বাজেটের বিভিন্ন প্রস্তাবে সিএমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।